|
বকখালি -
নামখানা পযন্ত ট্রেনে গিয়ে সেখান থেকে অথবা কলকাতা থেকে সরাসরি বাসে পৌঁছে যাওয়া
যায় বকখালি সমুদ্র সৈকতে৷ যাওয়ার পথে বাস সমেত লঞ্চে উঠে হাতানিয়া-দোয়ানিয়া
নদী পেরোনোর অভিঞ্জতো সতাসত্যই রোমাঞ্চকর৷ এখানকার সমুদ্র সৈকত,
ম্যানগ্রোভ বন, উন্মুক্ত চিরিয়াখানা পযটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণের৷
ফ্রেজারগঞ্জ
- নামখানা থেকে বকখালি হয়ে ফেজারগঞ্জ ঘুরে আসার আকাঙ্খা অনেক পর্যটকেরই
হৃদয়ের আকর্ষণ৷ বাংলার গভর্নর স্যার এন্ডুফেজার সাহেবের নামে৷
এখানে একটি মতস্য বন্দর আছে৷ এছাড়া নৌকায় করে সমুদ্র মোহনায় ঘুরে আসাও খুবই
আকর্ষণের ব্যাপার৷
গঙ্গাসাগর
- সুন্দরবনের পশ্চিমাংশে অবস্থিত সাগর দ্বীপ
ছিল ৫টি দ্বীপের সমষ্টি৷
পাঁচটি দ্বীপ হল সাগর, ঘোড়ামারা, সুপারীডাঙ্গা, আগুনমারী ও লোহাচড়া৷
বতর্মানে মাত্র দুটি দ্বীপ অবশিষ্ট সাগর ও ঘোড়ামারা। এখানে হুগলী
নদী বঙ্গোপাসাগরে মিশেছে৷ এই সঙ্গমে প্রতিবছর পৌষ-সংক্রান্তির দিনে
১৪ই জানুযারী কপিল মুনির
মন্দিরে সারা ভারতবর্ষের লক্ষ লক্ষ পূনার্থী
সাগর সঙ্গমে পূন্যস্নান করে, পূজা দেন
এখানে পাপমুক্তি ও পরিবারের
শান্তি কামনা করেন৷ এছাড়া ভারত সেবাশ্রম সংঘের ব্যবস্থাও আছে৷ হোটেল, যুবআবাস,
ধমর্শালা
প্রভৃতিতে পর্যটকরা অবস্থান করতে পারেন৷
পাঁকুড়তলা
- এই স্থানটিতে প্রত্নসম্পদ সমৃদ্ধ দুটি বিশাল ঢিবি থেকে প্রচুর নিদর্শন
পাওয়া গেছে৷ নানারকম মুদ্রা, পোড়ামাটির পুতুল, পশুপাখী, নানারকম
পাত্র, শিলমোহর, ছাচ্, গনেশ ও বিষ্ণুমূর্তি ও শিবলিঙ্গ আছে এখানে৷
শিবকালী নগর
- এখানকার বিশালাক্ষী ও ইশানেশ্বর শিবমন্দির বিখ্যাত দক্ষিনমুখী মন্দিরের
গর্ভগৃহে ৩ ফুট উচ্চতার পিতলের চতুর্ভূজ দেবীমূর্তি বিরাজ করছে৷
দেবীর মূখমন্ডল অষ্টধাতু নির্মিত৷ শিবরাত্রি ও গাজন উৎসবে আসে স্থানীয় ধর্মপিপাসু
মানুষ ও বহু সন্ন্যাসী৷ |