|
|
|
সুন্দরবন এলাকায় উন্নয়ন |
|
পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব ও দক্ষিণ প্রান্ত বরাবর
উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ১৯টি পঞ্চায়েত সমিতি এলাকা নিয়ে সুন্দরবন অঞ্চল৷
ভৌগোলিক আয়তন ৯৬৩০ বর্গ কিমি৷ ৪২৬৫ বর্গ কিমি সংরক্ষিত বনাঞ্চল৷ বাকি অংশে মনুষ্য
বসতি৷ সুন্দরবন বলতে এক সময় অনুন্নত অভাবী মানুষের দেশের ছবি ভেসে উঠত৷ কিন্তু এখন
পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে৷ সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ঘটেছে অনেক পরিবর্তন৷
উন্নয়ন ও প্রগতির পথে সামিল হয়েছে সুন্দরবনের মূল ভূখন্ড ও দ্বীপাঞ্চল৷ গণমুখী
উন্নয়নের জোয়ার এনেছে সুন্দরবন বিষয়ক দপ্তর৷ উন্নয়নমূলক কর্মসূচিগুলির মধ্যে সমন্বয়
সাধনের জন্য রাজ্য সরকার উন্নয়ন ও পরিকল্পনা বিভাগ সুন্দরবন উন্নয়ন পর্ষদ গঠন করে
১৯৭৩ সাল৷ সুন্দরবন বিষয়ক বিভাগ নামে পুরোদস্তুর বিভাগ গঠন করা হয় ১৯৯৪ সালের
জানুয়ারি মাসে৷
|
|
|
|
অর্থনৈতিক
অবস্থা |
|
২০০১ সালের জনগণনা অনুসারে
সুন্দরবনের জনসংখ্যা ৩৭ লক্ষ ৫৫ হাজার ৯২৪৷ ১৯৯১ থেকে ২০০১ এই দশ বছরে জনসংখ্যা
বৃদ্ধির হার ১৮.৪%৷
জনবসতি আছে এমন ১০৬৮টি গ্রামে মোট পরিবারের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৪০ হাজার৷ পরিবার প্রতি
গড় জনসংখ্যা ৬.৯, যা সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের গড়ের চেয়ে বেশি৷ অন্যদিকে এই অঞ্চলের
জনঘনত্বের গড় ৯২৯ জন প্রতি বর্গ কিমিতে - সেটি শুধু পশ্চিমবঙ্গের নয় জাতীয় গড়ের
চেয়েও বেশি৷
|
|
সুন্দরবনে পশ্চাদপদ শ্রেণি
: সুন্দরবনে পশ্চাদপদ শ্রেণি যেমন
তপশিলি জাতি ও তপশিলি উপজাতির সংখ্যাও লক্ষণীয়৷
মোট জনসংখ্যার ৩৯ শতাংশের বেশি তপশিলি উপজাতি শ্রেণির মানুষ, সেখানে সমগ্র রাজ্যের
গড় ২৩ শতাংশ৷
তপশিলি উপজাতিভুক্ত মানুষ মোট জনসংখ্যার ৫.৬ শতাংশ৷
|
|
সাক্ষরতা
: সাক্ষরতার হার রাজ্যের গড়ের
কাছাকাছি থাকলেও কোনো কোনো ব্লকে এই হার বেশি৷
তবে নারী সাক্ষরতার হারে কোনো কোনো ব্লক অনেক পিছিয়৷ মাথাপিছু আয় রাজ্যের গড়
মাথাপিছু আয়ের চেয়ে কম৷
দারিদ্রসীমার নিচে অবস্থানকারী জনসংখ্যার হারও উপরের দিকে৷
|
|
কৃষি :
এই এলাকার মোট কৃষিযোগ্য জমির পরিমাণ ৩.০৫ লক্ষ
হেক্টর৷ বর্তমান
শস্যনিবিড়তা
প্রায় ১২০ শতাংশ, যা সমগ্র জেলা তথা রাজ্যের নিরিখে অনেক কম৷ এর মূল কারণ সেচের
অপ্রতুলতা৷ শুখা মরশুমে সেচের অভাব থাকায় আরো বেশি জমিকে দোফসলি চাষের আওতায় আনা
সম্ভব হচ্ছে না৷ বৃষ্টির সঞ্চিত জল এবং কোনো কোনো অঞ্চলে ভূগর্ভস্ত জলকে কাজে
লাগিয়ে মোট কৃষিযোগ্য জমির মাত্র ১২ শতাংশকে সেচসেবিত করা সম্ভব হয়েছে৷
|
|
যদিও প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ কৃষির উপর
নির্ভরশীল, কিন্তু কৃষিক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ ঘটছে মোট ২৭-৩০
শতাংশের৷ এর ফলে
বেকার, ছদ্মবেকারের সংখ্যা তুলনায় বেশি৷ |
|
অন্যদিকে ১৯৭৮-৭৯-এর সমীক্ষা অনুযায়ী
সুন্দরবনের পরিকাঠামো ছিল খুবই অনুন্নত৷
বিশেষত যোগাযোগ ব্যবস্থা, সেচ ও নিকাশির অবস্থা এই এলাকার পক্ষে ছিল একান্তই
অপ্রতুল৷ দ্বীপগুলির মধ্যে যাতায়াত ব্যবস্থা ছিল মাটির তৈরি রাস্তা যা বর্ষাকালে
ব্যবহারের অযোগ্য৷ উতপাদিত ফসল বাজারজাত করা বা প্রয়োজনীয় দ্রব্য আমদানিও একই কারণে
বিঘ্নিত হত৷
|
|
১৯৭৮ সালের আগে সুন্দরবনের কৃষিযোগ্য জমির
মাত্র ৪ শতাংশে একাধিক ফসল ফলানো যেত৷
এই অবস্থার জন্য অনেকগুলি কারণ দায়ী থাকলেও বর্ষায় অত্যধিক বৃষ্টি ও শুখা মরশুমে
তীব্র জলাভাবই ছিল মূল কারণ৷ জমির গড়
উতপাদনও ছিল খুবই কম৷
দেশি জাতের আমন ধানের চাষই ছিল একমাত্র ফসল৷ অল্পদিনে অত্যাধিক বৃষ্টিপাতের ফলে
চাষের জমিতে জলের চাপ ও সেই সঙ্গে নদীর বুকে পলি জমার কারনে স্বাভাবিক নিকাশি
ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে৷
জমির লবণাক্ততার আধিক্যহেতু ও সেচের সুযোগ না থাকায় রবি ও গ্রীষ্মকালীন চাষ প্রায়
ছিল না বললেই চলে৷ ক্রমাগত জনসংখ্যাবৃদ্ধির চাপ অর্থনৈতিক, প্রাকৃতিক ও সামাজিক
অবস্থাকে আরো নিন্মমুখী করে তুলেছিল৷ ফলে অন্নসংস্থান ও জীবিকার সন্ধানে সুন্দরবনের
প্রত্যন্ত গ্রামগুলি থেকে মানুষেরা এসে ভিড়
জমাচ্ছিল শহরের ফুটপাতে৷ সুন্দরবনের মধ্যেও মূল ভুখন্ডের সঙ্গে দ্বীপাঞ্চলের
আর্থ-সামাজিক অবস্থার ফারাক বৃদ্ধি পাচ্ছিল দ্রুত৷
|
|
এরকম একটি
আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে
সুন্দরবন উন্নয়ন পর্ষদ সীমিত আর্থিক ক্ষমতা ও পরিকাঠামো নিয়ে কাজ শুরু করে কতগুলি
গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি রূপায়ণে জোর দেয়৷ যেমন মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত
শক্তিশালী করতে গতানুগতিক কৃষি ব্যবস্থার পরিবর্তন-একফসলি জমিকে দোফসলিতে
রূপান্তরিত করা, সেচ ও নিকাশি পরিকাঠামো উন্নত করার মাধ্যমে শস্যিনিবিড়তাকে
অন্তত ১২৫ শতাংশে উন্নীত করা, রবি ও গ্রীষ্মকালীন চাষের উপযোগী কম সেচনির্ভর ফসল
চাষের প্রবর্তন এবং তার জন্য যোগাযোগ পরিকাঠামো নির্মাণ এবং সামাজিক পরিকাঠামো যেমন
পানীয় জল সরবরাহ, অপ্রচলিত বিদ্যুত সংযোগ প্রভৃতির সুযোগ বৃদ্ধি৷
|
|
এইসব কর্মসূচি প্রণয়ন ও রূপায়ণে অন্যান্য
সরকারি বিভাগ, জেলা প্রশাসন ও পঞ্চায়েতের মাধ্যমে সমন্বয় ও সহযোগিতা গড়ে তোলার উপরও
জোর দেওয়া হয়েছে৷
রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এই এলাকার উন্নয়নকে ত্বরান্বিত ও সুসংহত করার জন্য
বিনিয়োগ বৃদ্ধির দাবি তুলে ধরা হচ্ছে৷ পাশাপাশি সুন্দরবনের উন্নয়নের সঙ্গে
ঐতিহ্যবাহী বাস্তুতন্ত্রের সংরক্ষণ ও উন্নয়নে এলাকার সবশ্রেণির মানুষকে যুক্ত করা ও
সচেতন করার কাজ চলছে৷
|
|
|
|
রূপায়িত কর্মসূচি |
|
উন্নত কৃষি প্রযুক্তি :
এক ফসলি জমিকে একাধিক ফসল চাষের আওতায় আনার
লক্ষে পর্ষদ সুন্দরবনের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক-বর্গাদার ও পাট্টাদার কৃষকদের
মধ্যে সুন্দরবনের উপযোগী ফসলের জন্য উন্নত বীজ, রাসায়নিক সার ও কীটনাশক বিতরণ শুরু
করে৷ কৃষকরা এই
প্রকল্পের সুফল পান এবং রবি মরশুমে লঙ্কা, তরমুজ ও অন্যান্য সবজি চাষের এলাকা
বৃদ্ধি পায়৷ পরবর্তী সময়ে সীমিত সেচনির্ভর ফসল যেমন ডাল ও তৈলবীজ,
সাবু, তুলা প্রভৃতি
চাষে বিশেষ জোর দেওয়া হয়৷ এর সঙ্গে উন্নত কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে কৃষককে অবহিত
করার লক্ষ্যে স্থানীয়ভাবে কৃষক প্রশিক্ষণ শিবির, আলোচনা সভা ইত্যাদি সংগঠিত হয়৷ |
|
বিশ্বব্যাঙ্কের সাহায্য :
বিশ্বব্যাঙ্কের সাহায্যপুষ্ট প্রকল্পের মাধ্যমে
সুন্দরবন এলাকায় নিকাশি ব্যবস্থার উন্নয়নে অনেক স্লুইস ও মাস্টার স্লুইস নির্মাণ
করা হয়৷ এর ফলে
বর্ষাকালে জমিতে অতিরিক্ত জমাজল দ্রুততার সঙ্গে নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা গেছে৷ এই
প্রকল্পের সুদূরপ্রসারী ভূমিকার কথা মাথায় রেখে পর্ষদ প্রয়োজনীয় স্থানে এ ধরনের
১৭৫টিরও বেশি স্লুইস নির্মাণ করছে৷ ইতিমধ্যে নির্মিত স্লুইসের সংস্কার ও নিকাশি
খালসমূহের পলি সরানোর কাজও করা হচ্ছে৷
|
|
সুন্দরবনের ব্লকগুলিতে বিশেষত দ্বীপ অঞ্চলে যে
মজা খালগুলি প্রধানত নিকাশি খাল হিসাবে ব্যবহৃত হত সেগুলির সংস্কার করা হয়৷
বৃষ্টির জল ধরে রেখে শুখা মরশুমে ঐ জলের সাহায্যে চাষের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়৷
সুন্দরবন বিষয়ক বিভাগ সুন্দরবনের প্রায় সবকটি ব্লকে এধরনের ৪০০ কিমিরও বেশি খাল
সংস্কার করেছে৷ যদিও এই খালের জল সীমিত, তবু এই ক্ষুদ্র সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে এই
এলাকায় দোফসলি চাষের সম্ভাবনা ও সুযোগ কৃষকের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করেছে৷
|
|
জল সংরক্ষণ :
সুন্দরবন এলাকায় বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ
১৮০০ মিমি যার বেশির ভাগটাই নদী ও সমুদ্রে অপচয় হয়৷
সেই অতিরিক্ত জল সংরক্ষণ ও ভূমি উন্নয়ন ব্যবস্থার মাধ্যমে বহু উদ্দেশ্যসাধক একটি
প্রকল্পের কাজ এই বিভাগ হাতে নিয়েছে৷ কৃষকের জমির ১/৫ অংশে পুকুর কেটে জলধারণের
ব্যবস্থা করা ও সন্নিহিত জমিকে উন্নত করার মাধ্যমে ক্ষুদ্র সেচ পরিকাঠামো নির্মাণের
একটি প্রকল্প ব্যাপকভাবে রূপায়িত করার কাজ চলছে৷ এই ক্ষুদ্র সেচ ব্যবস্থা যেমন
সুন্দরবনের কৃষি অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে তেমনি অতিরিক্ত
কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধিরও সহায়ক হবে৷
এ জন্য সরকারী অনুদান ৯০ শতাংশ চিহ্নিত-পশ্চাদপদ গ্রামের ৪ বিঘা পযন্ত জমির
মালিকদের খেত্রে অনুদানের পরিমান ১০০ শতাংশ। |
|
|
|
পরিকাঠামো উন্নয়ন |
|
যোগাযোগ ব্যবস্থা :
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পর্ষদ চার ধরনের
রাস্তা নির্মাণ করে আসছে৷
যেমন, ইটপাতা রাস্তা, মোরামের রাস্তা, কংক্রিট রাস্তা এবং পিচের রাস্তা৷
দ্বীপাঞ্চলে যেখানে ভারী যানবাহন চলাচল করে না সেই সমস্ত এলাকায় সব ঋতুতে ব্যবহার
উপযোগী তিন ধরনের রাস্তা করার কাজ চলছে৷ পর্ষদ ইতিমধ্যে সুন্দরবনের ১৯টি ব্লকে ২৫০০
কিলোমিটারেরও বেশি রাস্তা নির্মাণ করেছে৷ এই রাস্তা নির্মানের খরচ অপেক্ষাকৃত কম৷
স্থানীয় শ্রমিকদের সাহায্যে এগুলির নির্মাণ ও সংস্কার করা যায়৷ যোগাযোগ ব্যবস্থার
এই উন্নয়নে সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলির অধিবাসীদের যাতায়াত ও মালপত্র
আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে ব্যাপক সুবিধা হয়েছে৷ নদীপথে যাত্রীসাধারণের যাতায়াত ও
মালপত্র ওঠানো-নামানোর জন্য পর্ষদ ইতিমধ্যে প্রায় ২০০টি জেটি নির্মাণ করেছে৷
|
|
সুন্দরবনের অনেকগুলি দ্বীপ মজা খাল কিংবা
গুরুত্বহীন নদীর জন্য বিচ্ছিন্ন হওয়ায় মূল ভূখন্ডের সঙ্গে যোগাযোগহীন থাকতে বাধ্য
হচ্ছে৷ ওইসব
স্থানে সেতু নির্মাণ করে পশ্চাদবর্তী অনেক দ্বীপভূমিকে জেলার মূল ভূখন্ডের সঙ্গেও
সংযুক্ত করে সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ডকে অনেকটা প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়েছে৷
পর্ষদ ইতিমধ্যে ১০টি বড়ো সেতু নির্মাণের প্রকল্প হাতে নিয়েছে৷ কয়েকটি সম্পূর্ণ
হয়েছে৷ কয়েকটির কাজ দ্রুত সমাপ্তির মুখে৷
|
|
সেতু :
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নির্মীয়মাণ সেতু হল -
রায়দিঘি-কঙ্কমদিঘি সেতু, গঙ্গাধরপুর-আঢ্যবাজার এবং ক্যানিং-বাসন্তী সংযোগকারী মাতলা
নদীর উপর সেতু৷
এগুলি ছাড়া ছোটো মজা নদী ও খালের উপর অনেকগুলি কালভার্ট ও সেতু নির্মাণ করা হয়েছে৷
|
|
পানীয় জল :
পানীয় জল সরবরাহ সুন্দরবনের অন্যতম প্রধান
সমস্যা৷
ভূগর্ভস্ত জলস্তর ৮৫০-১৪৫০ ফুট নিচে৷ জল তোলার খরচ বেশি৷ সেজন্য পানীয় জলের নলকূপ
স্থাপন প্রকল্প সম্পূর্ণভাবে সরকারের হাতে ন্যস্ত৷ সুন্দরবন উন্নয়ন পর্ষদ ২০০০-০১
আর্থিক বছর থেকে নলকূপ বসানোর কাজ হাতে নিয়েছে৷ ২০০৫-০৬ আর্থিক বছর পর্যন্ত ৯৭৫টি
নলকূপ বসানো হয়েছে৷
|
|
আরো নলকূপ খননের কাজ চলছে৷
সুন্দরবনের মানুষের অভিঞ্জতায় এই নলকূপগুলির জল পানীয় হিসাবে নির্ভরযোগ্য এবং
এগুলির স্থায়িত্বও অপেক্ষাকৃত বেশি৷
|
|
বিদ্যুত :
বিদ্যুত সম্প্রসারণের জন্য সুন্দরবন উন্নয়ন
দপ্তর ওয়েবরেডা-র সঙ্গে যৌথভাবে অনেক কাজ করছে৷
যেসব অঞ্চলে প্রচলিত বিদ্যুত পৌঁছোনো অদূর ভবিষ্যতে সম্ভব হবে না, সেখানে অপ্রচলিত
বিদ্যুত প্রকল্প রূপায়িত হয়েছে৷ চুয়াত্তরটি বিদ্যালয়-হস্টেলে তিনশোটি অপ্রচলিত আলোর
সংস্থান করা হয়েছে৷
|
|
এছাড়া সুন্দরবনের জেটি,
গুরুত্বপূর্ণ বাজার, গঞ্জ, হাসপাতাল প্রভৃতি স্থানে ২৫০টি সৌর আলো বসানোর কাজ চলছে৷
|
|
|
|
|